Posts

মরণ খেলা 'নীল তিমি' ( ব্লু হোয়েল গেম চ্যালেঞ্জেস), যার পেছনে আছে ভয়ানক সাইকোপ্যাথিক অপরাধী চক্র।

মরণ খেলা 'নীল তিমি' ( ব্লু হোয়েল গেম চ্যালেঞ্জেস), যার পেছনে আছে ভয়ানক সাইকোপ্যাথিক অপরাধী চক্র। -আইনুল বারী --- --- ---- ----- মরণ খেলা 'নীল তিমি' ( ব্লু হোয়েল গেম চ্যালেঞ্জেস)। ভারত হয়ে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে বলে মনে হচ্ছে...। নীল তিমির দল যেমন জীবনের এক সায়হ্নে এসে দল বেঁধে আত্মহত্যা করে, সেই ধারণাকে অবলম্বন করে প্রায় নিখুঁত পরিকল্পনায় আমাদের শিশুদের জীবন কেড়ে নিতে চায় এক ভয়ানক সাইকোপ্যাথিক অশুভ চক্র। এই চক্রটি বিষাদগ্রস্ত শিশুদের টার্গেট করে হত্যাযজ্ঞের অশুভ তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। ব্লু হোয়েল গেমের পরিচালকরা বিষাদাক্রান্ত ও হতাশাগ্রস্ত তরুণদেরকে চ্যালেঞ্জের নামে ৫০টি ধাপে আত্ম-নিপীড়ণমূলক ও অপরাধমূলক নির্দেশনা দেয়। এর নির্দেশনাগুলির কিছু কিছু এ রকম, সারা দিন কারো সাথে কথা না বলে থাকার চ্যালেঞ্জ, শেষ রাতে ঘুম থেকে জেগে হরর মুভি দেখা, ভোরের আলো ফুটে উঠার আগে একাকী ছাদে গিয়ে হাঁটাহাটি করা কখনো রেলিঙয়ে পা ঝুলিয়ে বসে থাকা, নিজের শরীরে অসুখ বাঁধানো বা বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করা বা বন্ধু-বান্ধবীর বিরুদ্ধ...

ক্ষমতার তত্ত্ব-তালাশঃ অবিশ্বাসের দর্শন বনাম বিশ্বাসের দর্শন

ক্ষমতার  তত্ত্ব-তালাশঃ অবিশ্বাসের দর্শন বনাম   বিশ্বাসের দর্শন   --- --- --- ---- নাস্তিক্যবাদ  ক্ষমতার অণু-বিশ্লেষণ করে বস্তুবাদী জ্ঞানতাত্ত্বিক ল্যাবরেটরিতে, মানুষের জাগতিক ক্ষমতা-সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো রকম ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপ ছাড়া।                                  ক্ষমতা তাই, মানুষের সামাজিক সম্পর্কের ফসল মাত্র।  ক্ষমতা মানুষের সৃষ্টি, এবং এর দায়-দায়িত্ব কেবল মানুষের উপরই বর্তায়। মার্ক্সবাদী দৃষ্টিকোণে ‘ক্ষমতার’ শ্রেণী-চরিত্র আছে। আদিম সাম্যবাদী যুগের যৌথ স্বার্থের সামাজিক সম্পর্ক ভেংগে যখন থেকে সম্পদের উপর ব্যক্তি মালিকানার উদ্ভব ঘটলো, ঐতিহাসিক বিকাশের পথ ধরে, আর শ্রেণী বিভক্ত সমাজে মানুষের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ধরণও পাল্টাতে শুরু করলো; ক্ষমতারও চারিত্রিক রূপান্তর ঘটতে থাকলো । মার্কসীয় মতবাদ অনুসারে শ্রেণীগত ক্ষমতা ব্যক্তিগত ক্ষমতার চেয়ে ক্ষমতাবান, ব্যক্তি মানুষ ব্যক্তিগতভাবে নিজের ক্ষমতাকে স্...

মন মানব অস্তিত্বের এক রহস্যময় উপস্থিতি

মন মানব অস্তিত্বের এক রহস্যময় উপস্থিতি -আইনুল বারী -- --- ---- মন মানব অস্তিত্বের এক রহস্যময় উপস্থিতি: মন মানব অস্তিত্বের এক রহস্যময় উপস্থিতি, যার সাথে জুড়ে আছে অন্তর্লীন elan vital। ব্যক্তি মানুষ যা পর্যবেক্ষণ করে ও বেশি ভাবিত হয়, বিশ্বজগত তাকেই মনোযোগের কেন্দ্রে নিয়ে আসে, তাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। এই গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার মানে হলো, অন্য বিষয়গুলি দূরে সরে যাবে, আর মূল ভাবনাটি প্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে। ব্যক্তি মানুষের কর্ম পরিচালিত হয় পর্যবেক্ষণ ও ভাবনার দ্বারা। পর্যবেক্ষণ ও ভাবনাগুলি চাহিদাপত্র, যার ভিত্তিতে তার চারপাশের জগতটা সাজতে থাকে। যদি মানুষ সুন্দর হয়, তবে চারপাশের জগতের সব কিছু সুন্দর হয়ে উঠবে। যদি সে অসুন্দর হয়, সৃষ্টিজগতও অসুন্দর হয়ে উঠবে। অসুন্দর হচ্ছে তাই যা আমাদেরকে সৃষ্টিকর্তার ভালোবাসা থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। সুন্দর মানে হচ্ছে সত্য-সততা-ন্যায়বিচার-আত্মশুদ্ধি, সৃষ্টাকে চিনতে পারার ও কাছে আসার শক্তি। প্রত্যেক মানব-মনই বিশ্ব-মন, যেখানে প্রত্যেকে মহা-বিশ্বের কেন্দ্রে রয়েছে, কেউ প্রান্তে নেই। এমন অনুগ্রহই বুঝিয়ে দেয়, আমাদের সুন্দর না হওয়া...

গড়ে তুলতে হবে ভালো মানুষের ভালোবাসার নেটওয়ার্ক- আইনুল

গড়ে তুলতে হবে ভালো মানুষের ভালোবাসার নেটওয়ার্ক - আইনুল   অন্য অনেকের মতো বাংলাদেশে এমন এক  ‘ ভালোমানুষের ভালোবাসার নেটওয়ার্ক ’  এর স্বপ্ন দেখি ,  যা গড়ে উঠবে স্বতস্ফুর্তভাবে। এগিয়ে আসা তরুণ-যুবা ও প্রবীণদের সম্মিলিত ভালোবাসায়। শুরুতে এটি মহা কঠিন মনে হলেও এক সাথে আন্তরিকতা ও বুদ্ধির প্রয়োগ ঘটাতে পারলে এটি দ্রুতই সহজ হয়ে উঠবে এবং সামাজিক আন্দোলনের আকার নেবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা আম জনতা সব কিছুর দায়-দায়িত্ব চাপিয়ে দিতে চাই সরকার ও সরকারী সংস্থগুলির উপর ,  যা মোটেও ঠিক নয়। রাষ্ট্র ও সরকার   তার নাগরিকের সামাজিক বিকাশের সহায়ক শক্তি হতে পারে ,  কিন্তু দেশকে এগিয়ে নিতে   হলে দেশের মানুষকেই অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে হবে।প্রথমে কিছু মানূষকে ভেতর থেকে আত্ম-শুদ্ধির পথ খুঁজে নিয়ে অন্যদের পনুপ্রাণিত করতে হবে । গড়ে তুলতে হবে বিরাট ও ভয়ংকর   অশুভ স্বার্থপর   সামাজিক চক্রের বিরুদ্ধে ভালো মানুষের নেটওয়ার্ক  ।  তবেই না দেশ বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হবে। ২। ভালো মানুষের নেটওয়ার্ক এক অত্যন্ত প্রয়োগবাদী প্রস্তাব। এর কোনো সংকীর্ণ...

রখাইনে কারা বহিরাগত?-রোহিঙ্গা নিধন'২০১৭ -আইনুল বারী

রখাইনে কারা বহিরাগত?- রোহিঙ্গা নিধন'২০১৭ -আইনুল বারী তারিখ-১২/৯/২০১৭ -- -- -- ---- শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পাওয়া আন সান সুকি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে উদ্ধত ভঙ্গিতে বলছেন, ওরা বহিরাগত, বাঙ্গালী। অথচ যতোটুকু ইতিহাস থেকে জানি রাখাইন রাজ্য দীর্ঘ দিন যাবৎ বার্মা থেকে আলাদা আবাসভূমি ছিলো। ১৭৮৪ এর ৩১ ডিসেম্বরে বার্মার কন বং শাসক ব্যাপক গণহত্যার মাধ্যমে( প্রায় দু লাখের উপর নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যা করা হয়। সূত্রঃবাংলাপিডিয়া) রাখাইন রাজ্য দখন করে নিলো। এই দখলদারির আগে থেকেই রাখাইন অঞ্চলে ভারত ও বাংলাদেশ লোকেদের যাতায়ত, এ অঞ্চলের মানুষ সে দেশে গিয়ে আবাস গেড়ে সে অঞ্চলের অধিবাসী হয়েছিলো। তারও শত শত বছর আগে সেখানে সুফিবাদী-মানবতাবাদী ধারায় ইসলামের বাণী পৌঁছে গিয়েছিলো। আরব বণিকদের সাথেও রাখাইন অধিবাসীদের বাণিজ্যের সম্পর্ক ছিলো। দৌলত কাজী আলাওলরা ছিলেন আরকান রাজ সভার বিখ্যাত কবি। তারা বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সেরা কবি ছিলেন। দৌলত কাজী (১৬০০-১৬৩৮) আরাকান রাজসভার আশরাফ খানের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন।আশরাফ খানের প্রশংশায় লিখেছেনঃ- কর্নফুলী নদী পূর্বে আছে এক পূরী রোসাঙ্গ নগরী নাম...

রোহিঙ্গা নিধন'২০১৭ - আইনুল বারী

রোহিঙ্গা নিধন'২০১৭ - আইনুল বারী ৭/৯/২০১৭ --            --          -- নির্মম জাতিগত ও সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের শিকার হচ্ছে মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানরা।  বসতি জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে নিরীহ মানুষদের, ধর্ষণ করা হয়েছে নারীদের, শিশুরাও অত্যাচার-নিপীড়ন থেকে রেহাই পায়নি। মায়ানমারের বাংলাদেশ সীমান্তে  মাইন পুঁতে রাখা হয়েছে, যার বিস্ফোরণে মারা যাচ্ছে বা পঙ্গু হচ্ছে পলায়নপর নিরীহ রোহিঙ্গারা । একে গণহত্যাই বলা উচিত। এই হত্যাযজ্ঞকে কোনোভাবেই আর লুকিয়ে রাখাা যায়নি- স্যাটেলাইট ছবি, সামাজিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হাজার হাজার লাইভ ভিডিও ফুটেজ, ধ্বংসের ছবি, ঘর-বাড়ি ছেড়ে জীবন নিয়ে পালিয়ে আসা লক্ষ লক্ষ ভয়ার্ত কষ্টক্লান্ত মানুষের অভিব্যক্তি ও কথা রোজ প্রমাণ দিচ্ছে মায়নমারের  অভ্যন্তরের জাতিগত নির্যাতনের ও হত্যাযজ্ঞের মাত্রা কতো ভয়াবহ। আজ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে লক্ষ লক্ষ অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমান । এই মানুষগুলি এমনি এমনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ দেশে আসেনি। তাদের ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসার অর্থ এই মানুষগুলি এ দেশে আশ্রয় না ...

নববর্ষ ভাবনা -আইনুল বারী

  নববর্ষ   ভাবনা - আইনুল বারী ---- --- --- এক। নগর   প্রাণ   কেন্দ্রগুলোয়   পহেলা   বৈশাখ   এখন   ফুর্তির   কার্নিভালে   পরিণত   হয়েছে। বলতে   হয়   ভোগবাদী   বাজারব্যস্থা   ও   এর   প্রতিনিধি   বিনোদন - উপকরণসমূহ   ও   ফ্যাশান   হাউজগুলির   কল্যাণে।এর   একটা   বিশেষ   মূল্য   থাকতো   যদি   তা   কালপ্রবাহে   রূপান্তরিত   হয়েও   জাতির   বোধ   ও   বিবেকের   সাথে   মিলে - মিশে   থাকতো।   কিন্তু   বাজার   ব্যবস্থার   ভোগের   উৎসবের   সাথে   প্রাণের   উৎসবের   দেশজ   আত্মার   সংযোগ   কোথায় ?  দূর্ণীতির   ব্যধিগ্রস্ত   সমাজ   ভোগবাদের   উপকরণ   বানিয়েছে   সব   কিছুকেই।   ফলে   কোনো   দিবসেরই   যেনো   আলাদা   সারসত্তা   নিয়ে   টিকে  ...